Showing posts with label ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট. Show all posts
Showing posts with label ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট. Show all posts

হয়ে উঠুন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার (পঞ্চম পর্ব) কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের ওয়েব সাইটে মেনু ম্যানেজম্যান্ট করা যায়

কেমন আছেন সবাই? ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে ধারাবাহিক টিউটোরিয়ালে আপনাদের স্বাগতম। গত পর্বে আলোচনা করেছিলাম ওয়ার্ডপ্রেসের ওয়েব সাইটে থিম এবং প্লাগিংস ইন্সটল করার পদ্ধতি নিয়ে। আজকের আলোচনার বিষয় ওয়ার্ডপ্রেসের ওয়েব সাইটে মেনু ম্যানেজম্যান্ট নিয়ে।ওয়ার্ডপ্রেসের পুর্বের টিউন গুলি যারা দেখেন নি তারা একটু মনযোগ সহকারে টিউটোরিয়াল গুলি দেখবেন..
ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী ওপেন সোর্স কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS)।ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা যেকোন ধরনের প্রোফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব। আপনিও হতে পারেন ভাল ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার। আপনি ভাল ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার হতে পারলে অনলাইন মার্কেট প্লেস গুলোতে কাজ করে ভাল উর্পাজন করতে পারবেন।তো চলুন কাজের কথায় অসি।
এটি বাংলা ওয়ার্ডপ্রেস ভিডিও টিউটোরিয়ালের পঞ্চম পর্ব। এই ভিডিওতে দেখানো হয়েছে কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের ওয়েব সাইটে মেনু ম্যানেজম্যান্ট করা যায়। যারা জানেন তাদের জন্য এটি না। আর যারা জানেন না আশা করী তাদের জন্য কাজে আসবে..
এ ধরনের টিউটোরিয়াল লিখে কিংবা স্ক্রীন শট দিয়ে বুঝানো সম্ভব না কাজেই ভিডিও টিউটরিয়াল বানালাম। সব পর্বেই আমি এই একই কথা লিখি!
ভিডিও দেখার পর যদি বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে ইউটিউবে ভিডিও টার নিচে টিউমেন্ট করবেন। আর যদি ভালো লাগে তবে আমার ইউটিউব চ্যানেলে Subscribe করবেন প্লীজ।

হয়ে উঠুন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার (চতুর্থ পর্ব) কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের ওয়েব সাইটে থিম ইন্সটল করা যায়

কেমন আছেন সবাই? ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে ধারাবাহিক টিউটোরিয়ালে আপনাদের স্বাগতম। গত পর্বে আলোচনা করেছিলাম ওয়ার্ডপ্রেসের ওয়েব সাইটে কন্টেন্ট পাবলিস করা নিয়ে। আজকের আলোচনার বিষয় ওয়ার্ডপ্রেস থিম এবং প্লাগিংস ইন্সটল করার পদ্ধতি নিয়ে। পুর্বের টিউন গুলি যারা দেখেন নি তারা একটু দেখবেন..
একটু মনযোগ সহকারে টিউটোরিয়াল গুলি দেখবেন।
তো চলুন কাজের কথায় অসি।ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী ওপেন সোর্স কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS)।ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা যেকোন ধরনের প্রোফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব। আপনিও হতে পারেন ভাল ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার। আপনি ভাল ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার হতে পারলে অনলাইন মার্কেট প্লেস গুলোতে কাজ করে ভাল উর্পাজন করতে পারবেন।
এটি বাংলা ওয়ার্ডপ্রেস ভিডিও টিউটোরিয়ালের চতুর্থ পর্ব। এই ভিডিওতে দেখানো হয়েছে কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের ওয়েব সাইটে থিম ইন্সটল করা যায়। যারা জানেন তাদের জন্য এটি না। আর যারা জানেন না আশা করী তাদের জন্য কাজে আসবে.. তবে পরবর্তি টিউটোরিয়াল গুলি সবার জন্য কাজে আসবে আশা করী।



এ ধরনের টিউটোরিয়াল লিখে কিংবা স্ক্রীন শট দিয়ে বুঝানো সম্ভব না কাজেই ভিডিও টিউটরিয়াল বানালাম। সব পর্বেই আমি এই একই কথা লিখি!
ভিডিও দেখার পর যদি বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে ইউটিউবে ভিডিও টার নিচে টিউমেন্ট করবেন। আর যদি ভালো লাগে তবে আমার ইউটিউব চ্যানেলে Subscribe করবেন প্লীজ।

হয়ে উঠুন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার (তৃতীয় পর্ব) কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের ওয়েব সাইটে কন্টেন্ট পাবলিস করা যায়

কেমন আছেন সবাই?
এটি আমার ওয়ার্ডপ্রেস ভিডিও টিউটোরিয়ালের তৃতীয় পর্ব,পুর্বের টিউন গুলি যারা দেখেন নি তারা একটু দেখবেন..
একটু মনযোগ সহকারে টিউটোরিয়াল গুলি দেখবেন।
তো চলুন কাজের কথায় অসি।ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী ওপেন সোর্স কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS)।ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা যেকোন ধরনের প্রোফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব। আপনিও হতে পারেন ভাল ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার। আপনি ভাল ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার হতে পারলে অনলাইন মার্কেট প্লেস গুলোতে কাজ করে ভাল উর্পাজন করতে পারবেন।
এটি বাংলা ওয়ার্ডপ্রেস ভিডিও টিউটোরিয়ালের তৃতীয় পর্ব। এই ভিডিওতে দেখানো হয়েছে কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের ওয়েব সাইটে কন্টেন্ট পাবলিস করা যায়। যারা জানেন তাদের জন্য এটি না। আর যারা জানেন না আশা করী তাদের জন্য কাজে আসবে.. তবে পরবর্তি টিউটোরিয়াল গুলি সবার জন্য কাজে আসবে আশা করী।

এ ধরনের টিউটোরিয়াল লিখে কিংবা স্ক্রীন শট দিয়ে বুঝানো সম্ভব না কাজেই ভিডিও টিউটরিয়াল বানালাম। সব পর্বেই আমি এই একই কথা লিখি!
ভিডিও দেখার পর যদি বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে ইউটিউবে ভিডিও টার নিচে কমেন্ট করবেন। আর যদি ভালো লাগে তবে আমার ইউটিউব চ্যানেলে Subscribe করবেন প্লীজ।

হয়ে উঠুন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার (প্রথম পর্ব) কিভাবে লোকাল কম্পিউটারে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করা যায়

ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী ওপেন সোর্স কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS)।ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা যেকোন ধরনের প্রোফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব। আপনি ভাল ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার হতে পরলে আপনাকে আটকায় কে? আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবেনা..
এটি বাংলা ওয়ার্ডপ্রেস ভিডিও টিউটোরিয়ালের প্রথম পর্ব। এই ভিডিওতে দেখানো হয়েছে কিভাবে লোকাল কম্পিউটারে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করা যায়। যারা ওয়ার্ডপ্রেস জানেন তাদের জন্য এটি না। আর যারা নতুন আশা করী তাদের জন্য কাজে আসবে..তবে পরবর্তি টিউটোরিয়াল গুলি সবার জন্য কাজে আসবে আশা করী।
এ ধরনের টিউটোরিয়াল লিখে কিংবা স্ক্রীন শট দিয়ে বুঝানো সম্ভব না বলে ভিডিও টিউটরিয়াল বানালাম।
ভিডিও দেখার পর যদি বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে ইউটিউবে ভিডিও টার নিচে কমেন্ট করবেন। আর যদি ভালো লাগে তবে আমার ইউটিউব চ্যানেলে Subscribe করবেন প্লীজ।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যত

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে তরুণদের কাছে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। যদিও আমাদের দেশে এখনও এ বিষয়টি নতুন, কিন্তু এরই মধ্যে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন। পড়ালেখা শেষে বা পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং এ গড়ে নিতে পারেন আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের একটা বিশাল বাজার। উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে। আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারত এবং পাকিস্তান সেই সুযোগটিকে খুবই ভালভাবে কাজে লাগিয়েছে। আমরাও যদি ফ্রিল্যান্সিং এর বিশাল বাজারের সামান্য অংশ কাজে লাগাতে পারি তাহলে এটি হতে পারে আমাদের অর্থনীতি মজবুত করার শক্ত হাতিয়ার।
আউটসোর্সিং এবং ওয়েব এপ্লিকেশন
আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে আয়ের যে সকল পদ্ধতি রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে ওয়েবসাইট তৈরির কাজগুলোতে। এর একটা প্রধান কারণ হচ্ছে ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়ীক উদ্দ্যেশ্যে ইন্টারনেটের উপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরশীলতা। কারণ একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান একদিকে যেভাবে তার গ্রাহকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে, অপরদিকে বিভিন্ন শহরে বা বিভিন্ন দেশে অবস্থিত নিজস্ব শাখার সাথে আন্তঃযোগাযোগও সহজে এবং কম খরচে করতে পারে। তাই বর্তমান সময়ে একটি ডেস্কটপ সফটওয়্যার তৈরি করার চাইতে ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরি করার দিকেই সবার ঝোঁক থাকে।
একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট দুটি বিষয়ের সংমিশ্রণে তৈরি করা হয়, যার একটি হচ্ছে ওয়েবসাইটি কিভাবে কাজ করবে তার নির্দেশনা দেয়ার জন্য প্রোগ্রামিং এবং অপর অংশ হচ্ছে এর বহিরাবরণ বা ডিজাইন। ওয়েবসাইট নির্দেশনা সাধারণত PHP, ASP, Python, Perl, Ruby ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা হয় এবং ডাটাবেইজ হিসেবে MySQL, MS SQL, PostgreSQL ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। অনলাইনে ওয়েবসাইট প্রোগ্রামিং এর কাজই সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। যারা কম্পিউটার সায়েন্স বা এর সাথে সম্পর্কিত বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পড়ালেখা করেছে তারা ওয়েবসাইট প্রোগ্রামিং করে থাকে। তবে অনেকেই আছেন যারা শুধুমাত্র নিজের চেষ্টায় প্রোগ্রামিং শিখে বর্তমানে বেশ ভাল অবস্থায় আছেন।
ওয়েব প্রোগ্রামিং(ডেভেলপমেন্ট) না ডিজাইন
নিজে নিজে প্রোগ্রামিং শেখাটা একটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। একটি প্রোগ্রামিং ভাষা শেখা থেকে শুরু করে তাতে পরিপূর্ণ দক্ষ হতে বছরখানেক সময় লেগে যেতে পারে। অন্যদিকে ওয়েবসাইট ডিজাইন তুলনামূলকভাবে ততটা সময়সাপেক্ষ নয়, ব্যক্তি ভেদে তিন থেকে ছয় মাস সময় লাগতে পারে। আয়ের দিক থেকে ওয়েবসাইট প্রোগ্রামিং পরই রয়েছে ওয়েবসাইট ডিজাইনের ব্যাপক সম্ভাবনা। ওয়েবসাইট ডিজাইন শেখার জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে ইন্টারনেটে এই বিষয়ে যে পরিমাণ টিউটোরিয়াল রয়েছে তা থেকে ঘরে বসে সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টাতেই ডিজাইনিং শেখা সম্ভব।
আমি মূলত একজন ওয়েবসাইট প্রোগ্রামার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের ডিজাইন বা টেম্পলেট, ক্লায়েন্টের কাছ থেকে পেয়ে থাকি। একটি টেম্পলেটের সাথে প্রোগ্রামিংকে যুক্ত করার জন্য প্রায় সময় ফটোশপের স্লাইসিং টুল নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে হয়। সেই সুবাদে ফটোশপ একটু আধটু জানি। যেসব ক্লায়েন্টের কাছ থেকে টেম্পলেট পাওয়া যায় না তাদের সান্ত্বনা দেবার জন্য মাঝে মধ্যে নিজেই টেম্পলেট তৈরি করা শুরু করে দেই। এতে বেশিরভাগ সময় কাজ হয়। তবে সত্যি বলতে কি ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এর প্রতি আমার এক ধরনের ঝোঁক সবসময় রয়েছে। কাজের চাপে খুব একটা সময় দিতে পারি না, তবে সুযোগ পেলে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এর সাইটে ঘোরাঘুরি করি।
ডেটা এন্ট্রি থেকে আসুন ওয়েব ডিজাইনে
একটা বিষয় আমি খেয়াল করে দেখলাম, আমাদের দেশে যারা ফ্রিল্যান্সিং করতে চান তাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য থাকে ডাটা এন্ট্রির মাধ্যমে বেশি মাথা অল্প খাটিয়ে কম কষ্টে আয় করা। প্রকৃতপক্ষে একটি ডাটা এন্ট্রির কাজ পাওয়া যে কতটা কঠিন তা আমার অজানা নয়। এক একটি প্রজেক্টে ১০০ জনের উপর বিড করে। তার উপরে এই ধরনের কাজ খুবই বিরক্তিকর এবং কষ্টের তুলনায় আয় অত্যন্ত কম। সর্বোপরি এধরনের কাজে সৃজনশীলতার ছিঁটেফোটাও নেই।
আমি জানি, অনেকেই বলবেন সবাইতো আর প্রোগ্রামার হতে পারবেন না। একজন দক্ষ প্রোগ্রামার হবার জন্য কম্পিউটার সায়েন্স বা এই ধরনের বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ বা সময় অনেকেরই থাকবে না। তাহলে একজন নন-টেকনিকাল ব্যক্তি কি একজন প্রোগ্রামারের সমান বা তার চেয়ে বেশি আয় করতে পারবে না? আমি বলব, অবশ্যই পারবেন। এই বিষয়ে আমি আমার সাইট www.freelancerstory.blogspot.com এ বিভিন্ন লেখায় বিভিন্নভাবে উল্লেখ বলেছি। কিন্তু আমার মনে হয় ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এর বিষয়টা বেশিরভাগ নতুন ফ্রিল্যান্সাররাই খেয়াল করেন না, অথবা সেই বিষয়ে আগ্রহ পান না। তবে শুরুতেই বলে নেই, এই পেশায় প্রথম অবস্থায় যথেষ্ঠ শ্রম দিতে হবে এবং অবশ্যই নতুন কিছু উদ্ভাবন করার ক্ষমতা থাকতে হবে। এই দুই ক্ষমতা থাকলে আমি নিঃসন্দেহে বলতে পারি ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এ আপনি ভাল করতে পারবেন। ইন্টারনেটে প্রাপ্ত টিউটোরিয়াল থেকে শিখে আপনি ঘরে বসেই এতে দক্ষ হতে পারবেন।
ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এর চাহিদা কতটুকু তা জানতে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একটু ব্রাউজিং করলেই সহজেই অনুধাবণ করা যায়। উদাহরণসরূপ www.ThemeForest.net ওয়েবসাইটে প্রথম সারির ডিজাইনারদের এক একটা ডিজাইন দুই থেকে তিন হাজার বার বিক্রি হয়। আমি হিসেব করে দেখেছি তিন হাজার বার বিক্রি হলে একটা ডিজাইন থেকে এক বছরে আয় দাড়ায় পঞ্চাশ হাজার ডলারের উপর, যা সত্যি অবিশ্বাস্য। আমার কথা হচ্ছে একটা ডিজাইন থেকে যদি পাঁচশত ডলারও আয় করা যায় সেটিই হবে আমাদের জন্য অভাবণীয়। কারণ একজন দক্ষ ডিজাইনারের এরকম একটা ডিজাইন করতে বড় জোর ২ থেকে ৩ সপ্তাহ লাগবে।
পরিশেষে আমি বলব আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে ভাল আয় করতে চাইলে ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্টের কোন বিকল্প নেই। তবে পরিপূর্ণ দক্ষ না হয়ে আয়ের চিন্তা না করাই ভাল, এতে আপনার সময় নষ্ট ছাড়া কিছুই হবে না। কারণ এখানে আপনাকে সমস্ত বিশ্বের সেরাদের সাথে প্রতিযোগীতায় নামতে হবে।
লেখক: মো: যাকারিয়া চৌধুরী

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি এবং কেন করবেন

ক্রিয়েটিভ কিছু করতে মন চায়? সময় পেলেই কম্পিউটারের পেইন্ট টুলস, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর নিয়ে গাছ, পাখি, ফুল, ফল, বাড়ির দৃশ্য বা কারো নাম বা ছবি নিয়ে কাজ শুরু করে দেন? পার্ট-টাইম বা ফুল টাইম কাজ খুজছেন? অথবা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অপেক্ষাকৃত বেশি আয় করতে চান?
তাহলে ভেবে চিন্তে নেমে পড়–ন গ্রাফিক্স ডিজাইনে। অন্যান্য সব চাকরির থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি সবচেয়ে নিরাপদ ও ঝামেলা বিহীন। নিরাপদ ও ঝামেলাবিহীন বলার কারণ হলো অন্যান্য সব পেশার বিপরীতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কোনো কাজের অভাব হয় না। এটা একটি সন্মানজনক পেশাও। তবে অনেকেই এ পেশাটি নিয়ে চিন্তিত থাকেন। কিভাবে এগিয়ে যাবেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা কি প্রয়োজন বা একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের বেতন-ই বা কতো? তাদের জন্য এ লেখা। লেখাটির মাধ্যমে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চাইলে যে বিষয়টি আগে জানতে হবে সেটি জানানো চেষ্টা করেছি।
গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে?
আমরা প্রথমেই জেনে নিই গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে বা তার কাজ কি। তার আগে বলি, গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো আর্ট বা কলা’র এ মাধ্যম। ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে এন্ড ইউজার অর্থ্যাৎ সর্বশেষ ব্যবহারকারীর মধ্যে একটি ভালো প্রভাব ফেলতে পারেন। যেটি সেই ব্যবহারকারীর ব্রেইন এ একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই গ্রাফিক্স ডিজাইনার হলেন তিনি, যিনি গ্রাহকের চাহিদানুযায়ী বেশ কিছু কালার, টাইপফেস, ইমেজ এবং অ্যানিমেশন ব্যবহারের মাধ্যমে তার চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হন। এটার আউটপুট ডিজিটাল বা প্রিন্ট উভয়ই হতে পারে। আর বর্তমান সময়ে সচরাচর পাওয়া বিভিন্ন টুলস ও লেআউট ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে আরো বেশি ক্রিয়েটিভ ও গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করে বাড়তি তৃপ্তি দিতে পারছেন
গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে যেখানে চাকরি পাবেন
একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের দায়িত্ব হলো তার কাজ, পণ্য বা সেবার ওভারঅল লুক ও ভাবমূর্তি ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা। কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া ডিজাইন করা যতোই ভালো পণ্য হোক না কেনো সেটি প্রথমেই ব্যার্থ হবে। তাই একটি নিদ্দিষ্ট পরিকল্পনা ও ক্রিয়েটিভিটি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের মানকে উন্নত করে। তাই নিজেকে ভালোভাবে তৈরি করতে পারলে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের অভাব হয় না! সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সম্প্রতি দেয়া তথ্যমতে, বর্তমানে প্রায় ৩৫ শতাংশ গ্রাফিক্স ডিজাইনার আত্বনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী।
►একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্র কোথায় হতে পারে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো-▼
→ ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া:
কয়জন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজের সঠিক মূল্যায়ন ও ভাগ্যকে পরিবর্তন করার যে ক্ষেত্রটি পান সেটি হলো ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া। এখানে বিশেষত টেক্সট, গ্রাফিক্স, ভিডিও, অ্যানিমেশন, অডিওসহ যেকেনো কিছু এবং এ সম্পর্কিত সব কিছুই নিয়ে কাজ হয়। আমার মতে ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া হলো তেমনই একটি ভালো নিশ যেখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে প্রস্ফুটিত করতে পারেন।
→ প্রমোশনাল ডিসপ্লে:
সাধারণত যারা বড় ধরনের বা বড় আকারের কাজ করতে চান বা কঠোর পরিশ্রম করতে পারবেন তাদের জন্য এটি একটি ভালো মাধ্যম। এ কাজগুলো মূলত বিভিণœ অ্যাডমিডিয়াতে পাওয়া যায়। এখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারকে বিভিন্ন ধরণের বিলবোর্ড ডিজাইন এবং একই ধরণের প্রোমোশনার ডিসপ্লে ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে হয়।
→ জার্নাল:
বিভিন্ন ধরণের জার্নালগুলো (বিষয়ভিত্তিক বা ব্যাঙ্গাত্বক) ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এখানে সাধারণত পাঠককে আকৃষ্ট করার কাজটি করতে হয়। এখানে আপনাকে ছোটখাটো লোগো, ইমোটিকন থেকে শুরু করে কমপ্লিট কাভার ডিজাইন করতে হতে পারে।
→ কর্পোরেট রিপোর্টস:
এটি রেগুলার জব না হলেও কম নয়! একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার বিভিন্ন কোম্পানির কর্পোরেট রিপোর্ট তৈরি করে ভালোমানের আয় করতে পারেন। এটা অনেকটাই প্রফেশনাল কিন্তু মোটেই বোরিং কাজ নয়। কাজের মধ্যে অনেক স্বাচ্ছদ্য বোধ করা যায়।
→ মার্কেটিং ব্রোশিউর:
এটিও অনেকটাই প্রোমোশনাল ডিসপ্লের কাজের মতো। এখানে আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য বা সেবা নিয়ে ডিজাইনের কাজটি করতে হবে। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া যেহেতু কাজটি সম্ভব নয়, তাই এখানেও আপনার কাজের ক্ষেত্রটি হতে পারে।
→ সংবাদপত্র:
গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া সংবাদপত্র! মোটেই সম্ভব নয়। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার একটি সংবাদপত্রকে ঠিকই সংবাদপত্রেরই মতো করে তোলেন। ফাইনাল লেআউট দেওয়ার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার অবশ্যই জরুরী। এখানে আপনার পেশার সন্মানটাও বেশি। তাই সংবাদপত্র একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য একটি সাফল্যজনক কাজের ক্ষেত্র।
→ ম্যাগাজিন:
এটাও মূলত সংবাদপত্র ও জার্নালের মতো। তবে ম্যাগাজিনে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের পরিমান অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি। কারণ ম্যাগাজিনে ভিজ্যুয়াল লেআউট বেশি থাকে। তাই ম্যাগাজিনের প্রত্যেকটা প্রকাশনার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার, অবশ্যই আবশ্যক। এটাও আপনার যথোপযুক্ত কাজের ক্ষেত্র হতে পারে।
→ লোগো ডিজাইন:
একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজ হলো লোগো ডিজাইন। এক্ষেত্রে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরু করতে বেশি সময় লাগে না। আপনার ক্রিয়েটিভিই হলো লোগো ডিজাইনের মূল কথা। প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই তার প্রতিষ্ঠানের লোগো তৈরির জন্য একজন ফ্রিল্যান্স লোগো ডিজাইনার অর্থাৎ গ্রাফিক্স ডিজাইনারে খোঁজ করেন। তাই আপনি সহজেই কাজ পাবেন এবং ভালো করতে পারলে তাদেরকেই আপনার রেগুলার বায়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন।
→ ওয়েবসাইট ডিজাইন:
সবশেষে বললেও একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজের ক্ষেত্র ওয়েবসাইট ডিজাইন। লোকাল মার্কেট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেটাই বলি না কেনো প্রতিনিয়ত ওয়েব ডিজাইনের কাজের পরিমাণ বাড়ছে। তাই ওয়েবসাইট ডিজাইন করেও আপনা গ্রাফিক্স ডিজাইনার পেশাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন নিদ্দিষ্ট লক্ষ্যে।
(আর্ন-ট্রিক্স)